Pre-loader logo

করোনায় মৃত ৩ সাংবাদিক পরিবারকে অনুদান দিল বসুন্ধরা গ্রুপ

করোনায় মৃত ৩ সাংবাদিক পরিবারকে অনুদান দিল বসুন্ধরা গ্রুপ

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া তিন সাংবাদিকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ।

রোববার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেড কোয়ার্টার্স-১ এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রত্যেক সাংবাদিক পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকার চেক তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক ও নগর সম্পাদক হুমায়ুন কবির খোকনের স্ত্রী শারমীন সুলতানা রীনা, সিনিয়র সাব এডিটর মাহমুদুল হাকিম অপুর স্ত্রী আরিফা সুলতানা ও দৈনিক ভোরের কাগজের আসলাম রহমানের স্ত্রী ফাতেমা রহমান অনুদানের চেক গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ২৪-এর সিইও নঈম নিজাম এবং ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনসহ বসুন্ধরা গ্রুপের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, করোনাভাইরাসের বলি হয়েছেন আমাদের তিনজন সাংবাদিক। জীবনকে উৎসর্গ করায় বসুন্ধরা গ্রুপ ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর প্রত্যেক পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে অনুদান প্রদান করেছেন। অতীতেও সংবাদকর্মী ও সাংবাদিকরা কোনো সংকটে পড়লে বসুন্ধরা গ্রুপ পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা চেষ্টা করেছি জীবন দেয়া তিন সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানোর।

কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এই করোনাকালেও বসুন্ধরা গ্রুপ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে, করোনা রোগীর চিকিৎসায় একটি হাসপাতাল করে দিয়েছে। যে সাংবাদিক ভাইয়েরা করোনায় জীবন দিয়েছেন তাদের তিনজনেক আজ অনুদান দেয়া অনেক বড় কাজ বলে আমি মনে করি।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা অনুদান, দুই হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাকে ছেড়ে দেয়া, দেশব্যাপী ত্রাণ বিতরণ করেছে।

Copyright © 2021 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.